৭ নভেম্বরকে বিএনপি বিপ্লব হিসেবে উদ্যাপন করলেও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে দলটির মধ্যে দ্বিচারিতা দেখা যাচ্ছে বলে সভায় মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। ২০২৪ সালের ২৭শে অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ সভায় তিনি আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি তুলে ধরেন, যা দলের অভ্যন্তরীণ নীতির সাথে বিরোধপূর্ণ। এই বক্তব্যের ফলে দলের সমর্থকরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং সমালোচকরা দলের দ্বৈত মানদণ্ডকে চিহ্নিত করেছেন।
হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের পেছনে রয়েছে ১৯৭১ সালের ২৭শে অক্টোবরের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি। ১৯৭১ সালের ২৭শে অক্টোবর চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে, ১৯৭১ সালের ৭ নভেম্বরকে বিপ্লব হিসেবে উদ্যাপন করা হয়। কিন্তু আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি করা হলে, দলটি একই দিনে বিপ্লব উদ্যাপন করে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতি আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের দাবিকে আরও জটিল করে তোলে।
সভার পর হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের দলকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে এবং আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা দেখা যাচ্ছে।” দলের সমর্থকরা এই বক্তব্যে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং সমালোচকরা দলের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ হিসেবে, জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের দাবির উপর তদন্ত করবে। কমিটি ২০২৪ সালের ৩০শে অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা জানায়। ভবিষ্যতে এই প্রতিবেদন অনুযায়ী আ.লীগের বিরুদ্ধে বিচারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।