গত সপ্তাহে ঢাকা শহরের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বৃহৎ সমাবেশ হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টির চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই আন্দোলনকে ‘যৌক্তিক’ বলে সমর্থন জানিয়ে বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক পরিকল্পনা না নেওয়ায় আন্দোলন বড় আকার ধারণ করেছে। তিনি সতর্ক করেন যে, যদি ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশ ঘটে তবে সরকারেরই দায়িত্ব।

পোশাকশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের প্রতিবাদ বাড়ছে। ২০১৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত মজুরি ২৫% বাড়ানোর চুক্তি হলেও বাস্তবে অনেক শ্রমিকের আয় অপরিবর্তিত। জাতীয় নাগরিক পার্টি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সক্রিয়, কিন্তু সরকারী নীতি ও কারখানা ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয় কম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি দিতে চাই, কিন্তু ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশ হলে তা বিপর্যয়কর হবে। সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।’ শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধানরা ও বিরোধীদলীয় নেতারা সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘শ্রমিকদের কণ্ঠ শোনা উচিত।’ জনসাধারণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে, কারখানা বন্ধের সম্ভাবনা নিয়ে ভয় ছড়াচ্ছে।

সরকারি বিভাগগুলো বর্তমানে কারখানা পরিদর্শন বাড়াচ্ছে এবং মজুরি বৃদ্ধির জন্য নতুন নীতি প্রণয়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীর একটি বিশেষ কমিশন গঠন করে শ্রমিক ও কারখানা মালিকদের মধ্যে মধ্যস্থতা করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ভবিষ্যতে মজুরি বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।