প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
DPN TV
DPN TV <div>বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়</div><div>ঢাকা মিরপুর ১০</div><div>ব্লক বি, রোড নং ৬</div>
01577771678 | dpntv.com@gmail.com
আন্তজাতিক

স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের পদে স্টিফেন মিলারকে নিযুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। মিলার, পূর্বে ট্রাম্পের
প্রতিবেদক: মোঃ আলমগীর হোসাইন প্রকাশ: Nov 6, 2026 প্রিন্ট: 08 Nov 2026, 01:08 PM
স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ করলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফের পদে স্টিফেন মিলারকে নিযুক্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। মিলার, পূর্বে ট্রাম্পের প্রধান নীতি উপদেষ্টা ও ইমিগ্রেশন নীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী, সুসি উইলসের স্থলাভিষিক্ত হবেন। উইলস, হোয়াইট হাউসের প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ হিসেবে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন, তবে তার পদত্যাগের পর এই পরিবর্তন ঘটেছে। এই সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন দিকনির্দেশনা সূচিত করার সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে।

স্টিফেন মিলার ২০১৭ সাল থেকে ট্রাম্প সরকারের নীতি গঠনে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ইমিগ্রেশন সীমা কঠোর করা, সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অভিবাসী নীতি পুনর্গঠনসহ বহু বিতর্কিত পদক্ষেপের পেছনে ছিলেন। তার পূর্ববর্তী কাজকর্মের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন সংক্রান্ত সামাজিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, সুসি উইলসের কাজকর্ম তুলনামূলকভাবে কম উন্মুক্ত ও সমন্বিত ছিল; তিনি হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগে দক্ষতা প্রদর্শন করে বহু আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পন্ন করতে সহায়তা করেন। মিলারকে চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগের ফলে নীতি দিকনির্দেশনা পুনরায় কঠোর রূপ নিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্কতা প্রকাশ করছেন।

এই ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মিডিয়া সংস্থা দ্রুতই প্রতিক্রিয়া জানায়। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারা মিলারের পূর্বের ইমিগ্রেশন নীতিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে সমালোচনা করে, এবং হোয়াইট হাউসের এই পদক্ষেপকে ‘অধিকতর রক্ষণশীলতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে। রিপাবলিকান দলের কিছু সদস্য মিলারের নীতি বাস্তবায়নকে শক্তিশালী জাতীয় নিরাপত্তা হিসেবে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশে এই পরিবর্তনটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে; বিশেষজ্ঞরা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি পরিবর্তন বাংলাদেশের অভিবাসন ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলে উল্লেখ করছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অফিস বর্তমানে মিলারকে চিফ অব স্টাফের দায়িত্বে দ্রুতগতিতে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। নতুন দায়িত্বে মিলার হোয়াইট হাউসের দৈনন্দিন কার্যক্রম সমন্বয়, নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি প্রেসিডেন্টের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবেন। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি কঠোর রূপ নেবে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবাধিকার সংস্থা ও পার্লামেন্টের নজরদারির বিষয় হতে পারে। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, এই পরিবর্তন বাণিজ্যিক চুক্তি ও শিক্ষার্থী ভিসা নীতিতে নতুন সমন্বয় দাবি করতে পারে, যা উভয় দেশের কূটনৈতিক সংলাপকে পুনরায় গঠন করবে।

© 2026 DPN TV. All rights reserved.