প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
DPN TV
DPN TV <div>বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়</div><div>ঢাকা মিরপুর ১০</div><div>ব্লক বি, রোড নং ৬</div>
01577771678 | dpntv.com@gmail.com
আন্তজাতিক

দুর্গাপূজার পর দিল্লিতে কি আবার জ্ঞানেশবিরোধী আন্দোলন শুরু হচ্ছে

দিল্লি শহরে দুর্গাপূজার শেষ দিনগুলোতে আবার একধরনের প্রতিবাদী আন্দোলন দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে মন্দিরের শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
প্রতিবেদক: মোঃ আলমগীর হোসাইন প্রকাশ: Oct 22, 2026 প্রিন্ট: 08 Nov 2026, 09:55 AM
দুর্গাপূজার পর দিল্লিতে কি আবার জ্ঞানেশবিরোধী আন্দোলন শুরু হচ্ছে

দিল্লি শহরে দুর্গাপূজার শেষ দিনগুলোতে আবার একধরনের প্রতিবাদী আন্দোলন দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে মন্দিরের শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন স্থানেই জ্ঞানেশবিরোধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা মাইক, ব্যানার এবং স্লোগান দিয়ে সরকারের নির্দিষ্ট নীতি ও কর্মপদ্ধতির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। এই আন্দোলনটি তৎক্ষণাৎ মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তীব্র আলোচনার সূত্রপাত করে, কারণ এটি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এই প্রতিবাদী আন্দোলনের পটভূমি বহু বছর আগে শুরু হওয়া রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে উদ্ভূত। পূর্বে জ্ঞানেশবিরোধী আন্দোলন প্রধানত শিক্ষানীতি, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার সংক্রান্ত সমস্যার ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল। দুর্গাপূজার সময়ের বিশেষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশে এই ধরনের প্রতিবাদ সাধারণত কম দেখা যায়, তবে গত বছর একই সময়ে কিছু অংশে ছোটখাটো প্রতিবাদ ঘটেছিল, যা সরকারকে সতর্ক করেছে। বর্তমান সময়ে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের হার বাড়ার ফলে জনগণের অসন্তোষের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই আন্দোলনের উত্থানে ভূমিকা রেখেছে।

প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মুখপাত্ররা সরকারকে নীতি সংশোধনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা না করা হলে কোনো ধর্মীয় উৎসবের আনন্দই স্থায়ী হবে না।” অন্যদিকে, দিল্লি শাসনকর্তা ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা এই আন্দোলনকে ‘অবৈধ ও অশান্তিকর’ বলে সমালোচনা করে, এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। সাধারণ জনগণের মধ্যে এই আন্দোলন নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; কিছু লোক ন্যায়বিচার দাবি করে সমর্থন জানিয়েছে, আবার অন্যরা ধর্মীয় উৎসবের শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান জানিয়েছে। সামাজিক মিডিয়ায়ও এই বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন মতামত ও বিশ্লেষণ প্রকাশ পেয়েছে।

অধিকাংশ নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা এবং পুলিশ বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে প্রতিবাদটি বড় ধাক্কা না দিয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। পুলিশের মতে, কোনো সহিংসতা বা সম্পত্তি ক্ষতি ঘটেনি এবং সকল সমাবেশ আইনানুগভাবে পরিচালিত হয়েছে। সরকার এখনো এই আন্দোলনের মূল দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে, যাতে নীতি সংশোধনের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করা যায়। ভবিষ্যতে যদি এই ধরনের প্রতিবাদ পুনরায় দেখা দেয়, তবে সরকারকে আরও সক্রিয়ভাবে জনমত শোনা এবং সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হবে, যাতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসবের সময় সামাজিক শান্তি বজায় থাকে।

© 2026 DPN TV. All rights reserved.