প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
DPN TV
DPN TV <div>বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়</div><div>ঢাকা মিরপুর ১০</div><div>ব্লক বি, রোড নং ৬</div>
01577771678 | dpntv.com@gmail.com
জাতীয়

শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম গোষ্ঠী বায়তুল মোকাররমে এক বৃহৎ প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করে, শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানায়। প্রতিবাদকারীরা মসজিদে জোর
প্রতিবেদক: মোঃ আলমগীর হোসাইন প্রকাশ: Oct 10, 2026 প্রিন্ট: 05 Nov 2026, 03:31 PM
শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম গোষ্ঠী বায়তুল মোকাররমে এক বৃহৎ প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করে, শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানায়। প্রতিবাদকারীরা মসজিদে জোরালো স্লোগান শোনায়, ‘শেখ হাসিনা এখনই হস্তান্তর’, ‘সন্ত্রাস দমন, জ্বালানির দাম কমাও’ ইত্যাদি। এই দাবি দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছে। প্রতিবাদে উপস্থিত হাজারো সমর্থক মাইক ও প্যানেল ব্যবহার করে তাদের মতামত প্রকাশ করে, যা দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

শেখ হাসিনার হস্তান্তরের দাবি পূর্বে কয়েকটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দ্বারা উত্থাপিত হয়েছে, তবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এই প্রতিবাদ বিশেষভাবে তীব্রতা পায় কারণ গোষ্ঠীটি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নীতি ও জ্বালানির দামের ওপর দীর্ঘদিনের অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে। ২০১৪ সালের নির্বাচন পর থেকে সরকারে বিরোধী গোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে, বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন রাষ্ট্রের নীতি সমালোচনা করে আসছে। বিশেষ করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে, যা এই ধরনের প্রতিবাদের পটভূমি হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারী উলামায়ে ইসলামের প্রধান আলী হোসেন রশিদ দাবি করেন, ‘শেখ হাসিনার অবৈধ শাসন শেষ করতে হবে, না হলে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে’। সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হাবিবুর রহমান জানান, ‘প্রতিবাদী গোষ্ঠীর মতামত শোনার পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে’। সাধারণ জনগণের মধ্যে এই দাবির প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়; কিছু মানুষ নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে সমর্থন প্রকাশ করে, আবার অন্যরা রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে। সামাজিক মিডিয়ায় এই বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন মতামত একে অপরের সঙ্গে তীব্রভাবে সংঘর্ষে লিপ্ত।

অধিকাংশ নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যে জমিয়তে অতিরিক্ত পেট্রোল ও রোডব্লক স্থাপন করেছে, যাতে প্রতিবাদে কোনো হিংসাত্মক ঘটনা না ঘটে। পুলিশ প্রধানের নির্দেশে স্থানীয় প্রশাসন জরুরি শাসন ব্যবস্থা প্রয়োগ করে, এবং উলামায়ে ইসলামের নেতাদের সঙ্গে আলাপচারিতা চালু করেছে। সরকার দ্রুত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে, যা হস্তান্তর দাবির আইনি দিক এবং সন্ত্রাস দমন নীতির পর্যালোচনা করবে। ভবিষ্যতে যদি গোষ্ঠীর দাবি বাস্তবায়িত না হয়, তবে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

© 2026 DPN TV. All rights reserved.